মৃত্যুর পরেও সে আমার স্ত্রীঅধ্যায় ৩: যে আলমারিটি আর কোনোদিন খোলা হয়নি রহস্যময় চাবি আর চিরকুটের নির্দেশ মেনে অবশেষে নীলার পুরোনো কাঠের আলমারির সামনে দাঁড়ায় আরাফ। স্ত্রীর মৃত্যুর পর এই আলমারিতে আর কখনও হাত দেয়নি সে। কাঁপা হাতে তালা খুলতেই বেরিয়ে আসে নীলার পরিচিত সুগন্ধ, যেন সময় তিন মাস পেছনে ফিরে গেছে।আলমারির ভেতরে সবকিছু আগের মতোই সাজানো—শাড়ি, গয়নার বাক্স, ডায়েরি, আর একটি ছোট কাঠের বাক্স। কিন্তু বাক্সটি খুলতেই আরাফের সামনে আসে এমন কিছু জিনিস, যা নীলার মৃত্যুকে ঘিরে তার বিশ্বাসকে নাড়িয়ে দেয়। সেখানে রয়েছে একটি পুরোনো পেনড্রাইভ, কয়েকটি ছেঁড়া ছবি এবং একটি খাম, যার ওপরে নীলার হাতের লেখায় লেখা—\"যদি তুমি এটা পড়ো, তাহলে বুঝবে আমার মৃত্যুটা যতটা সহজ মনে হচ্ছে, আসলে ততটা নয়।\"ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘরের আলো কয়েক সেকেন্ডের জন্য নিভে যায়। আলো ফিরে আসতেই আরাফ বুঝতে পারে, আলমারির আয়নায় যেন কেউ এক মুহূর্তের জন্য দাঁড়িয়ে ছিল।এটি কি তার ভয় ও কল্পনার খেলা, নাকি সত্যিই কেউ এই বাড়িতে রয়েছে? নতুন সূত্র কি তাকে সত্যের কাছাকাছি নিয়ে যাবে, নাকি আরও গভীর অন্ধকারে ঠেলে দেবে?
0 Comments